সিঙ্গাপুর ই-ভিসার জন্য প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট
- পাসপোর্ট (কমপক্ষে ৭ মাসের মেয়াদ সম্পন্ন)।
- পুরাতন পাসপোর্ট (যদি থাকে)। পুরাতন পাসপোর্ট হারিয়ে গেলে ( জিডি কপি সাথে অবশ্যই অনুবাদ সহ নোটারী করা হতে হবে)।
- ছবি দুই কপি (35 mm X 45 mm) সাদা ব্যাকগ্রাউন্ড, ম্যাট পেপার, ল্যাব প্রিন্ট।
- ব্যাংক স্টেটম্যান্ট সর্বশেষ ৬ মাসের লেনদেন। অবশ্যই প্রতি মাসে ধারাবাহিক লেনদেন থাকতে হবে।
- ব্যাংক সলভেন্সি সার্টিফিকেট (স্বচ্ছলতা সনদ) সর্বনিম্ন ১ লাখ টাকা ব্যালেন্স থাকতে হবে।
- কমপক্ষে ২টি দেশ ভ্রমন থাকতে হবে।
- পেশাগত প্রমানঃ ব্যবসায়ী, চাকুরীজীবি, ছাত্র/ছাত্রী, গৃহীনি, অবসপ্রাপ্ত। (নিচে পড়ুন)।
- ✪ নোট ফ্যামিলি ভিসার ক্ষেত্রে: ম্যারেজ সার্টিফিকেট এবং নিকাহনামা নোটারী কপি। [স্বামী-স্ত্রীর ভিসার ক্ষেত্রে]
- সন্তান যদি ৫ বছরের নিচে হয় তবে জন্ম সনদ বাংলা ও ইংলিশ।
- সন্তান যদি ৫ বছরের উর্দ্ধে হয় তবে জন্ম সনদ বাংলা ও ইংলিশ এর সাথে স্টুডেন্ট আইডি ও এনওসি।
- ভিসা ফি এবং প্রসেসিং ফিঃ ৭০০০৳+১৫০০৳ = ৮৫০০০৳ (অফেরতযোগ্য)
- ডেলিভারির সময়ঃ ৫-৭ কর্ম দিবস
- ভিসার মেয়াদঃ ২ মাস ডাবল/সিঙ্গেল এন্ট্রি।
- ভিসা ফি বা প্রসেসিং ফি যে কোন সময় বিনা নোটিশে পরিবর্তন হতে পারে।
- নোটঃ- ভিসা প্রদান করা না করার অধিকার একমাত্র দূতাবাস সংরক্ষন করে।
পেশাগত প্রমাণপত্র
❖ ব্যবসায় হলে:-
⮚ ট্রেড লাইসেন্স নবায়নকৃত। (ইংরেজী অনুবাদ ও নোটারী)
⮚ ভিজিটিং কার্ড।
⮚ লেটারহেড প্যাড।
❖ চাকুরীজীবী হলে:-
⮚ NOC/প্রত্যয়নপত্র বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে।
⮚ GO/প্রত্যয়নপত্র সরকারী প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে।
⮚ অফিসিয়াল আইডিকার্ড।
⮚ বেতন সনদ ও বেতন প্রদানের প্রমানপত্র।
⮚ বিএমডিসি ডাক্তার হলে।
⮚ বার কাউন্সিল সনদ উকিল হলে।
⮚ অবসর এর ডকুমেন্ট অবসরপ্রাপ্ত হলে।
❖ ছাত্র/ছাত্রী হলে:-
⮚ প্রাতিষ্ঠানিক আইডি কার্ড।
⮚ প্রত্যয়নপত্র স্কুল/কলেজ/বিশ্ববিদ্যালয়ের।
⮚বেতন রশিদ ও রেজিঃ কার্ড।
⮚ জন্ম সনদ (শিশু বা নাবালক) হলে।
❖ গৃহীনি হলে:-
⮚ গৃহীনি হলে তার স্বামীর পেশার ডকুমেন্ট, ব্যাংক স্টেটম্যান্ট, ব্যাংক সলভেন্সি, জাতীয় পরিচয়পত্র/জন্ম সনদ/পাসপোর্ট প্রদান করবেন।
❖ দিনমজুর হলে:-
⮚ কৃষক হলে চেয়ারম্যান কর্তৃক প্রদত্ত পেশার সনদ প্রদান করবেন।
⮚অন্যান্য দিনমজুর হলে চেয়ারম্যান কর্তৃক প্রদত্ত পেশার সনদ প্রদান করবেন।
সিঙ্গাপুরের দর্শনীয় স্থান সমূহঃ-