যে কোন দেশের ভিসা করার ক্ষেত্রে
অবশ্যই সকল ডকুমেন্ট শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সকল ক্ষেত্রে বানান ও ইনফো সেইম আছে কিনা খেয়াল করবেন।
How It Work?
A small river named Duden flows by their place and supplies it with the necessary regelialia. It is a paradise
Our Latest News
A small river named Duden flows by their place and supplies it with the necessary regelialia. It is a paradise
Tour Itinerary Desk
ট্যুর প্লান নিয়ে চিন্তিত?
চিন্তামুক্ত হতে পুরো পেইজ টা মনেযোগ দিয়ে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পড়ুন।
যে কোন দেশের ভিসা করার ক্ষেত্রে
অবশ্যই সকল ডকুমেন্ট শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সকল ক্ষেত্রে বানান ও ইনফো সেইম আছে কিনা খেয়াল করবেন।
ব্যাক্তিগত ডকুমেন্ট
Personal Documents- বর্তমান পাসপোর্ট
- পুরাতন পাসপোর্ট (যদি থাকে)
- পাসপোর্ট হারিয়ে গেলে (অনলাইন জিডি ও লস এফিডেভিট)
- পাসপোর্ট অমিল (এফিডেভিট ফর পাসপোর্ট কারেকশন)
- ছবি (সাদা ব্যাকগ্রাউন্ড ও কালারফুল ড্রেস)
- জাতীয় পরিচয়পত্র
- জন্ম সনদ (অনলাইন ইংলিশ ও বাংলা)
- ম্যারেজ সাটিফিকেট ও নিকাহ নামা (ইংলিশ)
- সকল ভিসা ও এন্ট্রি এক্সিট সিল
- ড্রাইভিং লাইসেন্স (যদি থাকে)
- ইন্সুরেন্স (সকল দেশের জন্য প্রযোজ্য নয়)
পেশাগত ডকুমেন্ট
Professional Documents- ব্যাবসায়ী হলে: ট্রেড লাইসেন্স বাংলা ও ইংলিশ নোটারী, ভিজিটিং কার্ড (ইংলিশ), লেটার হেড প্যাড (ইংলিশ)
- মেম্বারশীপ কার্ড বা প্রফেশনাল লাইসেন্স বিভিন্ন সংগঠন বা ক্লাবের (যদি থাকে)
- চাকুরীজিবী হলেঃ NOC, ID, Salary Certificate
- পেশাজিবী হলেঃ স্ব-স্ব লাইসেন্স, সনদ, ছুটির পেপার, আইডি কার্ড
- ছাত্র/ছাত্রী হলেঃ Student ID Card , NOC, Salary Slip, পিতা বা মাতার পেশাগত প্রমান।
- স্ত্রী স্বামীর নিকট গেলে: নিকাহ নামা ও ম্যারেজ সার্টিফিকেট ইংলিশ ও বাংলা নোটারাইজ, স্বামীর পেশাগত প্রমান।
আর্থিক ডকুমেন্ট
Financial Documents- ব্যাংক সলভেন্সী (৬ মাসের রেগুলার লেনদেন)
- ব্যাংক স্টেটম্যান্ট
- চেক বুক এর পাতা
- ব্যাংক কার্ড
- টিন সার্টিফিকেট
- ট্যাক্স রিটার্ন সার্টিফিকেট
- এসেট ভ্যালুয়েশন সার্টিফিকেট
- ডলার এন্ডোর্স
Travel Chart Plan
৩য় ধাপ
৪র্থ ধাপ
visa পাওয়ার পরবর্তী প্রস্তুতি ও ইমিগ্রেশন সম্পর্কে জানতে ক্লিক করুন
Frequently Asked Questions
ট্যুর প্ল্যান ও ভিসা সংক্রান্ত সাধারণ জিজ্ঞাসাসমূহের তাৎক্ষণিক আইনি ও স্ট্যান্ডার্ড সমাধান এক নজরে দেখে নিন।
যদি আপনার ফ্রেশ বা খালি পাসপোর্ট থাকে, তবে আপনার উচিত হবে ১ম ধাপের দেশগুলো নিয়ে চিন্তা করা। যেমনঃ ইন্ডিয়া, নেপাল, মালদ্বীপ, শ্রীলংকা, ভূটান, পাকিস্তান। এসকল দেশে তুলনামূলক অনেক সহজে ও দ্রুত ভিসা পাওয়া যায়, যা পরবর্তীতে আপনার ট্রাভেল হিস্ট্রি বাড়াতে সাহায্য করবে।
নাই বলে বসে থাকলে সময় চলে যাবে এবং কখনোই আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট করা সম্ভব হবে না। সিদ্ধান্ত আজই নিন! শুধু নিজের জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) কপি, নমিনির NID কপি, আপনার ছবি ২ কপি, নমিনির ছবি এবং বাসার বিদ্যুৎ বিলের একটি কপি নিয়ে যেকোনো ব্যাংকে চলে যান। মাত্র কয়েক মিনিটেই আপনার অ্যাকাউন্ট হয়ে যাবে।
আজকাল সব ব্যাংকেরই নিজস্ব অফিশিয়াল মোবাইল অ্যাপস পাওয়া যায়। নিয়মিত ব্যাংক অ্যাপ ব্যবহার করুন। বিভিন্ন কাজে টাকা লেনদেন করুন—কখনো একটি এমাউন্ট অ্যাকাউন্টে জমা দিন, আবার অন্য সময় আরেকটি এমাউন্ট উত্তোলন করুন। একটু খেয়াল রেখে প্রতি মাসে লেনদেন বজায় রাখলে এই সমস্যার সমাধান খুব সহজেই হয়ে যাবে।
- প্রতি মাসে কমপক্ষে ৮টি রেগুলার লেনদেন করা অত্যন্ত স্ট্যান্ডার্ড।
- কোনো মাসেই যেন লেনদেন গ্যাপ না যায় সেদিকে বিশেষভাবে খেয়াল রাখুন।
- ভিসার আবেদনের ঠিক আগে হঠাৎ বড় কোনো এমাউন্ট ডিপোজিট করে ব্যালেন্স সলভেন্সি শো করা থেকে বিরত থাকুন। করণীয়ঃ ভিসার আবেদনের ১০-১৫ দিন আগে থেকেই প্রস্তুতি নিয়ে ছোট-বড় ধারাবাহিক লেনদেনের মাধ্যমে স্বাভাবিক ব্যালেন্স প্রদর্শন করা।
- আপনি ব্যবসায়ী হলে দুই ধরনের অ্যাকাউন্ট রাখুন—সেভিংস এবং কারেন্ট। কারেন্ট অ্যাকাউন্টে সব ব্যবসায়িক ট্রানজেকশন করবেন এবং সেভিংস অ্যাকাউন্টে শুধু মান্থলি প্রফিটের অংশ ও ব্যক্তিগত খরচসমূহ লেনদেন করবেন।
- গন্তব্য দেশ অনুযায়ী কত মিনিমাম ডিপোজিট দেখাতে হবে তা পূর্ব থেকেই প্ল্যান করে রেডি রাখুন।
ট্রেড লাইসেন্স করা খুবই সহজ বিষয়। একটি সুন্দর ও ইউনিক ব্যবসায়িক নাম সিলেক্ট করে আপনার স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ বা পৌরসভা কার্যালয়ে চলে যান এবং নিজের জাতীয় পরিচয়পত্র প্রদান করুন। স্থানভেদে মাত্র ৫০০ টাকা থেকে শুরু করে খুব অল্প খরচে আপনি এটি রেডি করে নিতে পারবেন।
মাত্র ৫০০ টাকায় ১০০০ পিস ভিজিটিং কার্ড আপনি যেকোনো প্রেস থেকে প্রিন্ট করে নিতে পারেন। খেয়াল রাখবেন এটি যেন অবশ্যই ইংরেজি ভাষায় ডিজাইন করা হয়। budget যদি একটু বেশি (যেমন ৮০০-১৫০০ টাকা) হয়, তবে কার্ডটি আরো চমৎকার ও আকর্ষণীয় ডিজাইনে তৈরি করতে পারবেন। ক্লাসিক ও স্ট্যান্ডার্ড ডিজাইনের সাথে আপনার ওয়েবসাইট লিঙ্ক, ভ্যালিড ইমেইল, সচল ফোন নম্বর, ব্যবসার স্থায়ী ঠিকানা ও লোগো কার্ডে অবশ্যই ব্যবহার করবেন। একটি প্রফেশনাল নাম ও সুন্দর স্লোগান ব্যবহার করা খুবই ফলপ্রসূ।
ভিসা আবেদনের জন্য এগুলো অবশ্যই আন্তর্জাতিক নিয়ম অনুযায়ী ইংরেজিতে প্রিন্ট করতে হবে। এবং মনে রাখবেন, আপনার ব্যবসায়িক ভিজিটিং কার্ড এবং লেটার হেড প্যাড—উভয় ডিজাইনের মধ্যে কালার থিম ও ডিজাইন প্যাটার্নের সুন্দর সমতা থাকা আবশ্যক।
খুব সহজে শুধু নিজের জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) এবং একটি সচল মোবাইল নাম্বার দিয়ে আপনার নিকটস্থ যেকোনো কম্পিউটারের দোকানে গিয়ে এটি করে নিতে পারেন। এমনকি ইউটিউব ভিডিওর নির্দেশনা দেখে আপনি নিজেও ঘরে বসে ফ্রিতে ই-টিন সার্টিফিকেট জেনারেট করে নিতে পারবেন।
টিন (TIN) সার্টিফিকেট হলো সরকারকে ইনকাম ট্যাক্স বা কর দেওয়ার একটি আইনি নিবন্ধন। আর আপনি বাৎসরিক কত টাকা কর পরিশোধ করছেন বা কত ইনকাম দেখাচ্ছেন তার বাৎসরিক দাখিলপত্রই হলো ট্যাক্স রিটার্ন। বাৎসরিক সর্বনিম্ন ৩০০০৳ টাকা ট্যাক্স দেওয়া ভালো, যা প্রতি অর্থবছর শেষ হওয়ার সাথে সাথে পরিশোধ করলে visa প্রাপ্তির ক্ষেত্রে আপনার চমৎকার একটি স্ট্রং ডকুমেন্ট হিসেবে কাউন্ট হবে।
বর্তমানে ট্যাক্স ই-রিটার্ন অনলাইনের মাধ্যমে ঘরে বসেই খুব সহজে করা যায়। এছাড়াও আপনি সরাসরি আপনার আঞ্চলিক ট্যাক্স অফিসে গিয়ে রিটার্ন সাবমিট করতে পারেন। পুরো প্রক্রিয়াটি মোটেও কঠিন কিছু নয়।
- ট্যাক্স ই-রিটার্ন সবসময় অনলাইনের মাধ্যমে দিলে অনেক বেশি নির্ভুল ও ঝামেলামুক্ত হয়।
- ইউরোপ বা উন্নত দেশের ক্ষেত্রে ৩ বছরের ট্যাক্স রিটার্ন পেপার্স ডিমান্ড করা হয়ে থাকে।
- প্রথম বছর করের পরিমাণ সর্বনিম্ন ৩০০০৳ টাকা পরিশোধ করলেও, পরবর্তী বছর থেকে ১০০0-২০০০৳ টাকা বাড়িয়ে এবং এর পরের বছর ক্রমান্বয়ে আরো কিছুটা বাড়িয়ে কর দেওয়া আপনার ব্যবসায়িক প্রবৃদ্ধির জন্য ইতিবাচক দিক বহন করবে।
ভিসা আবেদনের ক্ষেত্রে ছবির সাইজ বিভিন্ন দেশের জন্য ভিন্ন ভিন্ন হয়ে থাকে (যেমনঃ ইউরোপ/টার্কি ২” x ২” ইঞ্চি, মালয়েশিয়া ৩৫ x ৫০ মিমি ইত্যাদি)। আবেদনের পূর্বে নির্দিষ্ট দেশের রিকোয়ারমেন্ট গুগল করে বা আমাদের এজেন্সিতে কনফার্ম হয়ে ছবি তোলা বুদ্ধিমানের কাজ হবে।
এক্ষেত্রে ফার্স্ট ক্লাস ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট থেকে একটি ইংরেজি এফিডেভিট (Affidavit for Passport Correction) করে নিলে সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে। অবশ্যই আপনার পূর্বের সকল পাসপোর্টের নাম্বার এবং ভুল হওয়া তথ্যগুলো ভেঙে ভেঙে এফিডেভিট ফাইলে নির্ভুলভাবে উল্লেখ করবেন।
পাসপোর্টে সিঙ্গেল নাম বা শুধু এক শব্দের নাম থাকলে অনেক এম্বাসি বা ইমিগ্রেশনে সমস্যা হতে পারে। তাই সর্বপ্রথম আপনার জন্মসনদ সংশোধন করে ডাবল নাম সংযুক্ত করবেন এবং জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধন করবেন। সংশোধিত আইডি অনুযায়ী পরবর্তীতে পাসপোর্ট রি-ইস্যু করে নিবেন। এমার্জেন্সি ক্ষেত্রে নোটারি এফিডেভিট ব্যবহার করা যেতে পারে।
আপনি যদি পূর্বে কোনো দেশে বৈধ ওয়ার্কার ভিসায় অবস্থান করে থাকেন এবং ইমিগ্রেশন আইন অমান্য না করে থাকেন, তবে পরবর্তীতে অন্য যেকোনো দেশের ট্যুরিস্ট বা ট্রাভেল ভিসা পাওয়ার ক্ষেত্রে কোনো প্রকার আইনি জটিলতা হবে না ইনশাالله্。
ট্যুরিস্ট ভিসার ক্ষেত্রে ছবি অবশ্যই সাম্প্রতিক তোলা হতে হবে যাতে ফেস স্পষ্ট চেনা যায়。 চশমা বা ক্যাপ পরিধান পরিহার করুন। ব্যাকগ্রাউন্ড সলিড হোয়াইট (সাদা) হতে হবে (যদি ওমান হয় তবে ব্যাকগ্রাউন্ড কাস্টম ব্লু হতে হবে)। অবশ্যই ভালো ল্যাব প্রিন্ট রঙিন ছবি জমা দিতে হবে।
ট্যুরিস্ট ভিসায় শেনজেন বা ইউরোপিয়ান ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোতে আবেদন করতে চাইলে ন্যূনতম ৫ থেকে ৮টি দেশ ঘুরে চমৎকার ট্রাভেল হিস্ট্রি তৈরি রাখা ভালো। সেই সাথে নিয়মিত অন্তত ৩ বছরের ইনকাম ট্যাক্স রিটার্ন ফাইল থাকতে হবে। ব্যাংক ব্যালেন্স কমপক্ষে ১২-২০ লাখ+ টাকা এবং ব্যাংকে নিয়মিত বড় অঙ্কের স্বাস্থ্যকর ট্রানজেকশন প্রদর্শন করা আবশ্যক। আপনার ব্যবসায়িক বা চাকরি সংক্রান্ত প্রফেশনাল ডকুমেন্টসগুলো অত্যন্ত স্ট্রং হতে হবে।
ট্যুরিস্ট ভিসার ক্ষেত্রে সাধারণত আবেদনকারীর আন্তর্জাতিক পাসপোর্টই একমাত্র প্রধান পরিচয়পত্র হিসেবে গণ্য হয়, জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) এম্বাসির প্রধান মুখ্য বিষয় নয়। সুতরাং আপনার পাসপোর্টের নামের বানান এবং তথ্যের সাথে বাকি ব্যাংক স্টেটমেন্ট ও পেশাগত প্রমাণপত্র মিল থাকলে কোনো জটিলতা ছাড়াই ভিসা হয়ে যাবে।
মেয়েদের ক্ষেত্রে একা বা সিঙ্গেল ট্যুরিস্ট ভিসায় ভ্রমণ করার চেয়ে মা-বাবা, সন্তান বা ফ্যামিলি মেম্বার সাথে রাখা ভালো; অন্যথায় visa হলেও ইমিগ্রেশনে নানা রকমের অযাচিত প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয়। মেয়ে যদি বিবাহিত হয় এবং স্বামী পূর্বে থেকেই কোনো দেশে অবস্থান করে, তবে সেই দেশে স্বামীর ইনভিটেশন লেটার নিয়ে যাওয়া অনেক সহজ হবে। তবে স্টুডেন্ট বা বিজনেস ভিসার ক্ষেত্রে এই নিয়ম প্রযোজ্য নয়।
আবেদনকারী যদি কোনো স্কুল, কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মিত ছাত্র/ছাত্রী হন, তবে স্পন্সর হিসেবে পিতা বা মাতার পেশাগত প্রমাণপত্র এবং ব্যাংক স্টেটমেন্টের সম্পূর্ণ ফিনান্সিয়াল সলভেন্সি ডকুমেন্ট প্রদান করবেন। এর সাথে ছাত্রত্ব প্রমাণের জন্য নিজের স্টুডেন্ট আইডি কার্ড কপি, ইনস্টিটিউটের এনওসি (NOC) বা ছুটির প্রত্যয়নপত্র, রেজিস্ট্রেশন কার্ড বা সর্বশেষ সেমিস্টার রেজাল্ট কপি সংযুক্ত করতে হবে।
India
Nepal
Maldives
Srilanka
Bhutan
Pakistan
Malaysia
Singapore
Thailand
Vietnam
Cambodia
Laos
Myanmar
China
Philippine
Dubai
Saudi Arabia
Indonesia
Brunei
Uzbekistan
Kazakhstan
Kyrgyzstan
Egypt
Japan
Turkey
Hong Kong
UK
South Korea
Non Schengen Country
Schengen
Canada
USA
New Zealand
Australia