ভিসা সংক্রান্ত বিষয় প্রতিনিয়ত আপডেট হয়, তাই লেটেস্ট তথ্যের জন্য যোগাযোগ করুন: - টিকিট ও সাপোর্ট 01929222954 - ভিসা হেল্প 01805-746067
ভিসা সংক্রান্ত বিষয় প্রতিনিয়ত আপডেট হয়, তাই লেটেস্ট তথ্যের জন্য যোগাযোগ করুন: - টিকিট ও সাপোর্ট 01929222954 - ভিসা হেল্প 01805-746067
ভিসা সংক্রান্ত বিষয় প্রতিনিয়ত আপডেট হয়, তাই লেটেস্ট তথ্যের জন্য যোগাযোগ করুন: - টিকিট ও সাপোর্ট 01929222954 - ভিসা হেল্প 01805-746067
ভিসা সংক্রান্ত বিষয় প্রতিনিয়ত আপডেট হয়, তাই লেটেস্ট তথ্যের জন্য যোগাযোগ করুন: - টিকিট ও সাপোর্ট 01929222954 - ভিসা হেল্প 01805-746067

Jakwan Travels

Safe Migration Guide

প্রবাসে যাওয়ার আগে
এই সত্যগুলো না জানলে, আপনার স্বপ্নটাই ঝুঁকিতে পড়তে পারে

প্রবাস জীবন শুরু করার জন্য অতি জরুরি এবং গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনাবলী।

Probashi Migration

📋 ভুল থেকে বাঁচার চেকলিস্ট

প্রবাসে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর যে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো আপনাকে ক্রমান্বয়ে অবশ্যই জানতে হবে।

ভিসা পূর্ববর্তী প্রস্তুতি

ভিসা প্রাপ্তির জন্য করণীয়

ভিসার ধরন ও সুবিধা

নিজে যেই কাজে দেশ থেকেই দক্ষ কিংবা আগ্রহী, সে ধরনের কাজে মানুষ ভালো করতে পারে। তাই সেই ধরনের কাজের ভিসা খোঁজ করা উচিত। পাশাপাশি সব দেশের অবস্থা সব সময় ভালো থাকে না — সেই হিসাবটাও করা জরুরি।

ভিসা যাচাই

রিক্রুটিং এজেন্সি খোঁজা

সরকার অনুমোদিত ও BAIRA-নিবন্ধিত স্বনামধন্য রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে যাওয়াই সবচেয়ে নিরাপদ। পরিচিত আত্মীয়ের মাধ্যমে গেলেও চুক্তিপত্র, টাকার রসিদ ও ভিসার সত্যতা অবশ্যই যাচাই করুন। দালালের মিথ্যা প্রলোভন থেকে সাবধান থাকুন।

এজেন্সি খুঁজুন

দক্ষতা অর্জন

অদক্ষ হয়েও আপনি বিদেশ পাড়ি জমাতে পারবেন। কিন্তু ভিসা যেই কাজের উপর আসবে, সেই কাজের দক্ষতা অর্জন আপনাকে কর্মক্ষেত্রে অনেক ধাপ এগিয়ে দেবে। ট্রেনিং নিন।

ট্রেনিং গাইড

ভিসা পরবর্তী প্রস্তুতি

ভিসা চেক

শুধু অনলাইন চেক নয়। ভিসার ধরন, কাজ, বেতন, কোম্পানির অস্তিত্ব, বোনাস, ওভারটাইম — সকল ধরনের ভিসা-জনিত সুবিধা-অসুবিধা বোঝা।

অনলাইন ভেরিফাই

স্ব-দেশীয় বহির্গমন নীতি

স্ব-দেশীয় বহির্গমন নীতি অনুযায়ী বিএমইটি রেজি, বায়োমেট্রিক ফিঙ্গার, পিডিও ট্রেনিং, বিএমইটি ক্লিয়ারেন্স/ম্যানপাওয়ার, পুলিশ ক্লিয়ারেন্স ডকুমেন্ট প্রস্তুত করা।

নিয়মাবলী

গন্তব্য-দেশীয় গমন নীতি

মেডিকেল ফিট, বায়োমেট্রিক ফিঙ্গার ভিএফএস কিংবা নিজস্ব এম্বাসিতে, কোনো পূর্ব পরীক্ষা প্রয়োজন হলে তা করতে পারে।

চেকলিস্ট

চূড়ান্ত প্রস্তুতি

🚀 প্রবাসে উন্নতি করতে চাইলে

সকল প্রবাসগামীর প্রত্যাশা সে দেশে গিয়ে নিজের অবস্থান পরিবর্তন

Labour Compare

অদক্ষ কর্মী VS প্রশিক্ষিত দক্ষ কর্মী

অদক্ষ কর্মীর তুলনায় দক্ষ কর্মী বেশি মূল্যায়ন পায়। সেজন্য কর্ম অনুযায়ী ট্রেনিং থাকলে ভালো।

অভিজ্ঞ কর্মী VS অনভিজ্ঞ কর্মী

অনভিজ্ঞ কর্মীর তুলনায় যে কর্মীর পূর্ব অভিজ্ঞতা রয়েছে তার কর্ম পরিবেশ বুঝতে সহজ হয়।

শিক্ষিত কর্মী VS অশিক্ষিত কর্মী

অশিক্ষিত কর্মীকে যেখানে আজীবন সাধারণ শ্রমিক হিসেবে কাজ করতে হয়, সেখানে শিক্ষিত কর্মীরা উচ্চ পদ পায়।

ভাষা জানা কর্মী VS ভাষা না জানা কর্মী

প্রবাসী যেই দেশে থাকবে সেই দেশের ভাষা জানা থাকলে তার উন্নতি ত্বরান্বিত হয়, কারণ দক্ষতা ও যোগ্যতা প্রকাশের প্রধান মাধ্যম হলো ভাষা।

সময়ানুবর্তী কর্মী VS অসময়ানুবর্তী কর্মী

যে কর্মী সময়মতো কাজে আসে ও সময়ের কাজ সময়ে শেষ করে, মালিকের আস্থা তার উপরই বেশি থাকে। সময়ানুবর্তিতা উন্নতির বড় চাবিকাঠি।

নিয়মানুবর্তী কর্মী VS নিয়ম-লঙ্ঘনকারী কর্মী

প্রতিষ্ঠানের নিয়ম-শৃঙ্খলা মেনে চলা কর্মী নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য বিবেচিত হয়। নিয়ম ভাঙলে চাকরি ও সুনাম দুটোই ঝুঁকিতে পড়ে।

অনুগত কর্মী VS অবাধ্য কর্মী

চেইন অব কমান্ড অনুসরণ করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের প্রতি অনুগত কর্মী দ্রুত উন্নতি করে। অবাধ্যতা মালিকের আস্থা নষ্ট করে ও পদোন্নতির পথ বন্ধ করে দেয়।

⚡ অতি জরুরি ১০টি বিষয়

এই ১০টি বিষয় ভালো করে বুঝলে ভিসা সংক্রান্ত কাজ হবে পানির মতো সহজ

BMET

বিএমইটি রেজি

স্ব-দেশীয় নীতিতে একজন প্রবাসগামী যাত্রীর জন্য প্রথম ধাপ এটি। বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন।

বিস্তারিত জানুন
PDO

পিডিও ট্রেনিং

সরকারিভাবে প্রবাস বিষয়ক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে এই প্রি-ডিপারচার ওরিয়েন্টেশন ট্রেনিং করানো হয়।

বিস্তারিত জানুন

ফিঙ্গার

বিএমইটি বায়োমেট্রিক নিজ জেলা হতে; কোনো কোনো দেশ তার নিজস্ব এম্বাসি বা ভিএফএস থেকে বায়োমেট্রিক সংগ্রহ করে থাকে।

বিস্তারিত জানুন
Manpower

ম্যানপাওয়ার

বিএমইটি ক্লিয়ারেন্স কার্ড স্ব-দেশীয় সাধারণত সর্বশেষ ধাপ। যেটির দ্বারা যাত্রীকে সরকার নিবন্ধিত উপায়ে যাওয়ার চূড়ান্ত অনুমতি দান করেন।

বিস্তারিত জানুন

সৌদি-কুয়েত ভিসা প্রসেস

যারা সৌদি বা কুয়েত ভিসা করছেন তাদের জন্য একটি আদর্শ গাইডলাইন পেতে নিচে ক্লিক করুন।

গাইডলাইন দেখুন
Singapore IP

সিঙ্গাপুর আইপি পরবর্তী

সিঙ্গাপুর আইপি প্রাপ্তির পরবর্তী ধাপগুলো যেন সহজে বুঝতে পারেন তার জন্য নিচে ক্লিক করুন।

ধাপসমূহ দেখুন
Ticket Price

বিমান টিকেট মূল্য

বিমান টিকেটের মূল্য জানতে, তারিখ ও বিভিন্ন বিমানের মূল্য তুলনা করতে নিচের লিংকে ক্লিক করুন।

মূল্য চেক করুন
Ticket Check

বিমান টিকেট চেক

আপনাকে যে বিমান টিকেটটি হাতে দেওয়া হয়েছে তা চূড়ান্ত টিকেট কিনা এবং এর সময়-তারিখ ঠিক কিনা যাচাই করুন।

টিকেট যাচাই
Visa Check

ভিসা চেক

যে ভিসাটি হাতে দেওয়া হয়েছে তা আসল ভিসা কিনা যাচাই করুন। সকল দেশের ভিসা যাচাই পদ্ধতি এক না। বেশিরভাগ দেশের ক্ষেত্রে ইউজার-পাসওয়ার্ড লাগে।

ভিসা যাচাই

মেডিকেল রিপোর্ট চেক

আপনার মেডিকেল ফিট নাকি আনফিট তা জানতে দেশ-ভিত্তিক অনলাইন পোর্টাল থেকে রিপোর্ট যাচাই করুন। GCC-সহ সকল দেশের লিংক এক জায়গায়।

রিপোর্ট চেক
Video Testimonials

গ্রাহকের কথায় আমরা

আমাদের থেকে যারা ওয়ার্ক ভিসা প্রসেস সেবা গ্রহন করেছে তাদের চোখে আমরা কেমন জানতে ভিডিও ক্লিক করে দেখুন।

Valued Client Review

Review
Review
Review
Review
Review
Review
Review
Review
Review
Review
Review
Review
Review

ভিডিওর মাধ্যমে বুঝতে

Guideline
Guideline
Guideline
Guideline
Guideline
Guideline
Guideline
Guideline
Guideline
Guideline
Guideline
Guideline
Guideline
7,000 + Air Tickets Issued
165 + Visas Processed
20 + Countries Covered
4,000 + Happy Clients

Frequently Asked Questions (FAQ)

প্রবাস যাত্রার প্রতিটি ধাপের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের উত্তর এক জায়গায়। প্রশ্নে ক্লিক করলেই উত্তর খুলে যাবে।

FAQ - Jakwan Travels
VISA কোনো সংক্ষিপ্ত রূপ (Abbreviation) নয়; শব্দটি এসেছে ল্যাটিন ভাষা থেকে, যার অর্থ "যাচাইকৃত দলিল"। এটি মূলত কোনো দেশের সরকার কর্তৃক দেওয়া আইনি অনুমতিপত্র, যার মাধ্যমে একজন ব্যক্তি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য সেই দেশে প্রবেশ, অবস্থান বা ভ্রমণ করতে পারে।
ভিসা ফরম্যাট অনুযায়ী প্রধানত ৪ প্রকার: ১. স্টিকার ভিসা ২. সিল ভিসা ৩. ই-ভিসা/পেপার ভিসা ৪. অন এরাইভাল ভিসা (ইনভাইটেশন ভিত্তিক)।
উদ্দেশ্য অনুযায়ী ভিসা বিভিন্ন প্রকার হয়, যেমন: Tourist Visa, Business Visa, Work / Employment Visa, Student Visa, Transit Visa ইত্যাদি।
স্টিকার ভিসা হলে রিসেন্টলি যাওয়া কারও ভিসার সিকিউরিটি এলিমেন্টের সাথে মিলিয়ে দেখুন। ই-ভিসা বা পেপার ভিসা হলে অফিশিয়াল সরকারি পোর্টালে অনলাইন চেক করুন এবং এডিটেড কিনা যাচাই করুন। অন এরাইভাল হলে ইনভাইটেশনের যথার্থতা ট্র্যাক করুন।
ইমিগ্রেশন হলো কোনো দেশের সীমান্ত দিয়ে মানুষের আইনানুগ প্রবেশ ও প্রস্থান নিয়ন্ত্রণের পুরো অফিশিয়াল প্রক্রিয়া। অফিসার আপনার পাসপোর্ট, ভিসা, উদ্দেশ্য ও ট্রাভেল ডকুমেন্টস যেখানে যাচাই করেন, সেটাই ইমিগ্রেশন।
পাসপোর্ট ও ভিসা নিখুঁতভাবে চেক করা, ভ্রমণের উদ্দেশ্য যাচাই করা, কতদিন থাকবেন তা কনফার্ম করা, অবৈধ যাত্রা বা মানবপাচার ঠেকানো এবং সর্বোপরি দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে প্রবেশের চূড়ান্ত অনুমতি দেওয়া।
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ইমিগ্রেশন ২ প্রকার: ১. ডিপার্চার ইমিগ্রেশন (দেশ ছাড়ার সময় এয়ারপোর্টে) এবং ২. এরাইভাল ইমিগ্রেশন (বিদেশে নামার পর সেই দেশের এয়ারপোর্টে)।
PDO = Pre-Departure Orientation Program. এটি হলো বিদেশ যাওয়ার পূর্বে বিএমইটি (BMET) কর্তৃক সরকারিভাবে সম্পাদিত একটি বাধ্যতামূলক গমন-পূর্ববর্তী প্রস্তুতিমূলক প্রশিক্ষণ কর্মশালা।
যারা বাংলাদেশ থেকে নতুন কাজের ভিসা (Work/Employment Visa) নিয়ে প্রবাসে পাড়ি জমাবেন, তাদের জন্য এই ওরিয়েন্টেশন ট্রেনিং সম্পন্ন করা সম্পূর্ণ বাধ্যতামূলক।
বৈধ উপায়ে বাংলাদেশ ও বিদেশের ইমিগ্রেশন ক্রস করার নিয়ম, পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের গুরুত্ব, প্রবাসের স্থানীয় আইন-কানুন, আচরণবিধি, এজেন্সি ও টিকিটের প্রতারণা এড়ানোর উপায় এবং সরকারি রেমিট্যান্স পাঠানোর নিয়মাবলি।
BMET = Bureau of Manpower, Employment and Training (জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো)। এটি প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি সরকারি প্রতিষ্ঠান, যা নিরাপদ কর্মী প্রেরণ, রিক্রুটিং এজেন্সির লাইসেন্সিং ও তদারকি নিয়ন্ত্রণ করে।
১. BMET Registration, ২. PDO Training, ৩. BMET Biometric Fingerprint এবং ৪. BMET Clearance/Manpower Smart Card.
১. বিএমইটি রেজিস্ট্রেশন — নির্দিষ্ট সময়ের জন্য বৈধ, প্রয়োজনে আপডেটযোগ্য। ২. বায়োমেট্রিক ফিঙ্গার — ভিসা/কোম্পানি ভিত্তিক। ৩. পিডিও ট্রেনিং — দেশভিত্তিক, একবার করলেই যথেষ্ট। ৪. বিএমইটি ক্লিয়ারেন্স/ম্যানপাওয়ার — ভিসা/কোম্পানি ভিত্তিক, অর্থাৎ নতুন ভিসা হলে নতুন করে করতে হয়।
NID/জন্মনিবন্ধনের তথ্যের সাথে হুবহু মিল রাখুন। নিজের নাম, জন্মতারিখ ও বাবা-মায়ের নামের বানান (Spelling) ভালো করে মিলিয়ে নিন। ঠিকানা সঠিক দিন এবং পেশা সঠিকভাবে নির্বাচন করুন। Submit করার আগে Preview চেক করুন, জমা স্লিপ সংরক্ষণ করুন এবং দালাল থেকে সতর্ক থাকুন। পাসপোর্টের একটি বানান ভুলই পরবর্তীতে ভিসা ও ম্যানপাওয়ারে বড় জটিলতা তৈরি করতে পারে।
প্রধানত ৩টি উৎস থেকে: ১. দেশীয় লাইসেন্সপ্রাপ্ত Recruiting Agency, ২. বিদেশে থাকা সরাসরি পরিচিত কেউ (আত্মীয়/বন্ধু) এবং ৩. থার্ড-পার্টি সাব-এজেন্ট বা গ্রাম্য দালাল।
এজেন্সির বৈধ BMET লাইসেন্স নম্বর আছে কিনা চেক করুন, ফিজিক্যাল অফিস ভিজিট করুন, ভিসার টাইপ (Work নাকি Tourist) দেখুন, অফার লেটার কোম্পানির প্যাডে সিলসহ আছে কিনা এবং চূড়ান্ত পর্যায়ে BMET স্মার্টকার্ড হয়েছে কিনা কনফার্ম করুন। ভিসা + BMET + Contract — সব মিললে তবেই যাওয়া উচিত।
হোয়াটসঅ্যাপ স্ক্রিনশট নয়, মূল ভিসার PDF কপি নিন। স্পন্সর ব্যক্তি নাকি কোম্পানি তা চেক করুন। ব্যক্তি হলে তার রেসিডেন্ট আইডি/ইকামা কপি এবং কোম্পানি হলে রেজিস্ট্রেশন পেপার যাচাই করুন। লাইভ ভিডিও কলে তার কাজের পরিবেশ দেখে নিন। ব্লাইন্ড ট্রাস্ট করবেন না।
এটি সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ মাধ্যম। যদি অফিস ছাড়া শুধু মোবাইলে "সব দেখে নেব" বলে বা ট্যুরিস্ট ভিসাকে ওয়ার্ক ভিসা বলে চালায়, তবে সতর্ক হোন। অ্যাডভান্স টাকা একদম কম দিন, লিখিত চুক্তি ছাড়া লেনদেন করবেন না। ভিজিট বা ফ্রি ভিসার অফার হলে এড়িয়ে চলুন। মনে রাখবেন — দালালের মুখের কথা কোনো প্রমাণ নয়।
কর্মী ও এজেন্টের পূর্ণ পরিচয়; দেশ, ভিসার ধরন, কোম্পানি ও কাজের পদ; বেতন, ডিউটি টাইম, ওভারটাইম, থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা; কত দিনের মধ্যে ভিসা/ম্যানপাওয়ার/টিকিট হবে; কোন অরিজিনাল ডকুমেন্ট নিয়েছে তার তালিকা; মোট টাকা, অ্যাডভান্স ও মানি রিসিট; কাজ না হলে রিফান্ডের শর্ত; সিকিউরিটি চেক/গ্যারান্টির বিবরণ; টাকা না ফেরালে আইনগত ব্যবস্থার উল্লেখ; এবং সাক্ষী, NID, স্বাক্ষর ও তারিখ। মুখের কথায় নয় — লিখিত চুক্তি, রিসিট ও যাচাইযোগ্য প্রমাণ ছাড়া টাকা দেবেন না।
প্রথমে সব প্রমাণ (মানি রিসিট, চেক, চ্যাট, চুক্তিপত্র, ভিসা কপি) সংরক্ষণ করুন। এরপর থানায় অভিযোগ করুন, প্রয়োজনে আদালতে মামলা করুন এবং বিএমইটি-র অনলাইন অভিযোগ পোর্টাল বা জেলা জনশক্তি অফিস/প্রবাসী কল্যাণ দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দিন। প্রতারণার ধরন অনুযায়ী মামলা হতে পারে: দণ্ডবিধির ধারা ৪০৬/৪২০ (বিশ্বাসভঙ্গ ও প্রতারণা), বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও অভিবাসী আইন ২০১৩ (অবৈধভাবে কর্মী প্রেরণ বা মিথ্যা আশ্বাসে অর্থ গ্রহণ — ধারা ৩১সহ সংশ্লিষ্ট ধারা) এবং পাচার বা শোষণের উপাদান থাকলে মানবপাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন ২০১২। কোন ধারা প্রযোজ্য হবে তা ঘটনার ধরন ও প্রমাণ দেখে পুলিশ/আইনজীবী নির্ধারণ করবেন। প্রতারিত হলে চুপ থাকবেন না — প্রমাণসহ আইনি ব্যবস্থা নিন।
টিকিট ইস্যুকারী ট্রাভেল এজেন্সি লাইসেন্সড/আইএটিএ (IATA) অনুমোদিত কিনা দেখুন। এজেন্সি আপনার ভিসা, কাজের ধরন ও ম্যানপাওয়ার/বিএমইটি ক্লিয়ারেন্স বুঝে টিকিট করছে কিনা নিশ্চিত হোন। নির্বাচিত এয়ারলাইন্স, রুট ও ব্যাগেজ পলিসি শ্রমিকদের জন্য উপযোগী কিনা, ট্রানজিটের নিয়ম ও ঝুঁকি আগে থেকে ব্যাখ্যা করা হচ্ছে কিনা এবং টিকিটের রিফান্ড শর্তাবলি স্পষ্ট কিনা — এই বিষয়গুলো জেনে নিন।
হ্যাঁ, জালিয়াতি রুখতে সরকারি 'আমি প্রবাসী' অ্যাপ বা বিএমইটি-এর অফিশিয়াল ম্যানপাওয়ার চেক সাইট থেকে আপনার পাসপোর্টের বিপরীতে স্মার্টকার্ড জেনুইন ইস্যু হয়েছে কিনা তা অনলাইনে মিলিয়ে নিশ্চিত হোন।
প্রত্যেকটি এয়ারলাইন্সের নিজস্ব ওয়েবসাইট বা অ্যাপে 'Manage Booking' অপশন থাকে। সেখানে টিকিটের PNR বা ই-টিকিট নম্বর এবং আপনার নামের শেষের অংশ (Last Name) বসিয়ে স্ট্যাটাস 'Confirmed' বা 'OK' আছে কিনা তা লাইভ চেক করে নিন।
ট্রানজিট হলো গন্তব্যে পৌঁছানোর পথে মাঝপথের কোনো এয়ারপোর্টে বিমান পরিবর্তন বা যাত্রাবিরতি। Non-stop Flight কোথাও না থেমে সরাসরি গন্তব্যে যায়; Direct Flight মাঝে থামতে পারে কিন্তু বিমান বদলাতে হয় না; আর Connecting Flight-এ মাঝের এয়ারপোর্টে নেমে অন্য বিমানে উঠতে হয় — এটিই ট্রানজিট ফ্লাইট। আদর্শ ট্রানজিট সময় সাধারণত ২ থেকে ৪ ঘণ্টা। খুব কম সময় (১-১.৫ ঘণ্টার নিচে) হলে ফ্লাইট মিস ও লাগেজ না পৌঁছানোর ঝুঁকি থাকে, আবার অতিরিক্ত লম্বা ট্রানজিটে ক্লান্তি ও কিছু দেশে ট্রানজিট ভিসার প্রয়োজন হতে পারে। ট্রানজিটে করণীয়: একই টিকিটে (একই PNR) সব ফ্লাইট আছে কিনা দেখুন, কয়টা বোর্ডিং পাস দিয়েছে বুঝে নিন, লাগেজ ফাইনাল গন্তব্য পর্যন্ত যাবে নাকি ট্রানজিটে তুলতে হবে জেনে নিন, স্ক্রিনে গেট নম্বর ও গেট চেঞ্জ বারবার খেয়াল করুন এবং অযথা ঘোরাঘুরি না করে Transfer sign অনুসরণ করে সরাসরি পরের ফ্লাইটের গেটে যান। আর Stopover হলো ট্রানজিটেরই বড় ভাই — যাত্রাবিরতি ২৪ ঘণ্টার বেশি হলে সেটাকে Stopover বলে, তখন সাধারণত সেই দেশের ভিসা লাগে।
কিছু দেশে বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীরা এয়ারপোর্টের ভেতরে থাকলেও ট্রানজিট ভিসা ছাড়া যেতে পারেন না। উল্লেখযোগ্য: আমেরিকা (USA) — ট্রানজিটের জন্যও C ভিসা লাগে; কানাডা — ট্রানজিট ভিসা বাধ্যতামূলক; যুক্তরাজ্য (UK) — DATV (Direct Airside Transit Visa) লাগে; ইউরোপের শেনজেন দেশগুলো (ফ্রান্স, জার্মানি, স্পেন, ইতালি, নেদারল্যান্ডসসহ অধিকাংশ) — Airport Transit Visa (ATV) লাগে; অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড — ট্রানজিট ভিসা প্রয়োজন। তবে আমেরিকা, কানাডা, যুক্তরাজ্য, শেনজেন বা অস্ট্রেলিয়ার বৈধ ভিসা/রেসিডেন্স পারমিট থাকলে অনেক ক্ষেত্রে এই ট্রানজিট ভিসা মাফ হয়। এছাড়া হংকংসহ কিছু ট্রানজিট হাবে বাংলাদেশি শ্রমিক যাত্রীদের ক্ষেত্রে এয়ারলাইন্স বাড়তি ডকুমেন্ট চাইতে পারে বা বোর্ডিং আটকে দিতে পারে। প্রথমবার ভ্রমণকারীদের জন্য পরামর্শ: টিকিট কাটার আগেই এজেন্সি ও এয়ারলাইন্স থেকে ট্রানজিট রুটে ভিসা লাগবে কিনা নিশ্চিত হয়ে নিন — কারণ এই নিয়ম সময়ে সময়ে পরিবর্তন হয়। সন্দেহ থাকলে মধ্যপ্রাচ্য বা এশিয়ার সহজ ট্রানজিট রুট (যেমন দুবাই, দোহা, কুয়ালালামপুর, সিঙ্গাপুর) বেছে নেওয়াই নিরাপদ।
কার্টন, বস্তা বা অগোছালো প্যাকেট পরিহার করে উন্নত মানের শক্ত ট্রলি ব্যাগ ব্যবহার করুন। ব্যাগে নাম, মোবাইল নম্বর ও গন্তব্যের ঠিকানা লিখে রাখুন। অতিরিক্ত ওজন এড়িয়ে চলুন এবং অচেনা বা অপরিচিত কারও দেওয়া কোনো প্যাকেট বা পার্সেল নিজের ব্যাগে কখনোই বহন করবেন না। যাত্রা পরিপাটি হওয়া দেশের সম্মানের অংশ।
বোর্ডিং গেটের অ্যানাউন্সমেন্ট খেয়াল রাখুন। আপনার বোর্ডিং পাস এবং পাসপোর্ট হাতের কাছে রাখুন। কোনো অবস্থাতেই কাউন্টার বা গেট এরিয়াতে একা ব্যাগ রেখে কোথাও যাবেন না এবং ফ্লাইটের সময় খেয়াল করে নির্দিষ্ট গেটে লাইনে দাঁড়ান।
নির্দিষ্ট গেট দিয়ে টিকিট ও পাসপোর্ট দেখিয়ে এয়ারপোর্টে প্রবেশ করুন। লাগেজ প্রথম স্ক্যানিং মেশিনে দিন। এরপর নির্দিষ্ট এয়ারলাইন্স কাউন্টারে গিয়ে বোর্ডিং পাস সংগ্রহ ও মূল লাগেজ বুকিং দিন। সর্বশেষ ইমিগ্রেশন ডেস্কে গিয়ে ফিঙ্গারপ্রিন্ট ও পাসপোর্ট ভেরিফিকেশন সম্পন্ন করে সিকিউরিটি জোন পার হোন।
১. বাংলাদেশ পুলিশের অফিশিয়াল অনলাইন পোর্টালে প্রয়োজনীয় পাসপোর্ট ও তথ্য দিয়ে আবেদন করা, ২. চালানের মাধ্যমে সরকারি ফি সরকারি ব্যাংকে জমা দেওয়া, ৩. স্থানীয় থানা কর্তৃক আপনার তথ্য ভেরিফিকেশন শেষে এসপি অফিস থেকে সত্যায়িত সার্টিফিকেট সংগ্রহ করা।
সময়ানুবর্তিতা এবং বসের নির্দেশ মানা আপনার পেশাদারিত্ব প্রকাশ করে। এটি আপনার চাকরির স্থায়িত্ব নিশ্চিত করে, প্রমোশনে সাহায্য করে এবং কোম্পানির খাতায় আপনার ও আপনার দেশের একটি পজিটিভ ইমেজ তৈরি করে।
সর্বদা সরকারি লাইসেন্সপ্রাপ্ত ব্যাংক বা অনুমোদিত এক্সচেঞ্জ হাউজের মাধ্যমে রেমিট্যান্স পাঠান। হুন্ডি সম্পূর্ণ অবৈধ, দেশের অর্থনীতির জন্য ক্ষতিকর এবং হুন্ডির মাধ্যমে টাকা পাঠালে অর্থ হারানোর চরম ঝুঁকি থাকে ও কোনো সরকারি প্রণোদনা বা আইনি সুরক্ষা পাওয়া যায় না।
প্রথমে শান্তভাবে কারণ জানতে চান এবং কাজ ও বেতনের প্রমাণ (ডিউটি রেকর্ড, স্যালারি স্লিপ, চ্যাট) সংরক্ষণ করুন। HR/কোম্পানিকে লিখিতভাবে জানান। সমাধান না হলে সেই দেশের Labour Office-এ অভিযোগ করুন এবং বাংলাদেশ দূতাবাস/হাইকমিশনের শ্রম উইংয়ে যোগাযোগ করুন। কখনোই কোম্পানি থেকে পালিয়ে যাবেন না — এতে আপনি নিজেই অবৈধ হয়ে যাবেন; আইনগত পথেই দাবি আদায় করুন।
ডরমিটরির পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখুন এবং নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে চলুন। যেখানে-সেখানে ময়লা না ফেলে নির্দিষ্ট ডাস্টবিনে ফেলুন। স্থানীয় ট্রাফিক আইন, সামাজিক ও ধর্মীয় রীতি এবং রাষ্ট্রীয় সকল আইন কঠোরভাবে মেনে চলুন; অন্যথায় বড় অংকের জরিমানা বা জেল হতে পারে।
উত্তেজিত না হয়ে শান্ত থাকুন। যেকোনো জরুরি আইনি বা দুর্ঘটনাজনিত সমস্যায় সরাসরি বাংলাদেশ দূতাবাস (Embassy), আপনার নিয়োগকর্তা কোম্পানি অথবা স্থানীয় আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার হেল্পলাইনে যোগাযোগ করুন। নিজে আইন হাতে তুলে নেবেন না।
বৈধভাবে (বিএমইটি ক্লিয়ারেন্সসহ) যাওয়া কর্মী প্রবাসে মারা গেলে ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড (WEWB) থেকে মরদেহ পরিবহন ও দাফন খরচ বাবদ চেক এবং মৃত কর্মীর পরিবারকে এককালীন আর্থিক অনুদান দেওয়া হয়। পাশাপাশি কর্মস্থল দেশ থেকে কোম্পানির বকেয়া বেতন, ইনস্যুরেন্স, ক্ষতিপূরণ বা সার্ভিস বেনিফিট আদায়ে এবং পরিবারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মরদেহ দেশে আনা বা প্রবাসেই দাফনে সহযোগিতা করা হয়। টাকার অংক ও নিয়ম সময়ে সময়ে পরিবর্তন হয়, তাই চূড়ান্ত ক্লেইমের আগে WEWB/BMET অফিসে যাচাই করে নিন। এটিই বৈধ পথে যাওয়ার সবচেয়ে বড় সুবিধা — অবৈধ পথে গেলে পরিবার এসব কিছুই পায় না।
প্রবাসে অনেক সময় অপরিচিত চক্র দালালি বা অবৈধ কাজের লোভ দেখিয়ে আপনাকে বিপদে ফেলতে পারে। যেকোনো ঝগড়া-বিবাদ বা মারামারি থেকে দূরে থাকুন, কারণ স্থানীয় প্রশাসন প্রবাসীদের গ্রুপ সংঘাতের ক্ষেত্রে সরাসরি ডিপোর্টেশন বা জেল হেফাজতের রায় দেয়।
প্রবাসে বসে ফেসবুক বা টিকটকে সেই দেশের সরকার, ধর্ম বা রাজনীতি নিয়ে কোনো নেতিবাচক পোস্ট বা লাইভ করবেন না, এটি কঠোর শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এছাড়া জুয়া বা বিলাসবহুল জীবনযাপনের জন্য অতিরিক্ত ঋণ নেওয়া থেকে বিরত থাকুন; এটি মানসিক চাপ ও প্রবাস জীবনের ধ্বংস ডেকে আনে।
মেডিকেল আনফিট হলে আপনি এয়ারপোর্ট থেকেই রিজেক্ট হতে পারেন, তাই গামকা (GAMCA) অনুমোদিত সেন্টার থেকে পরীক্ষা করুন। জব কন্ট্রাক্ট না পড়ে সাইন করলে পরবর্তীতে বেতন কম দেওয়া, কাজের অতিরিক্ত সময় খাটানো বা ভিন্ন কাজ করালেও আইনি কোনো দাবি করতে পারবেন না।
পৌঁছানো মাত্রই পরিবারকে নিরাপদে ল্যান্ড করার খবর জানান। কোম্পানির প্রতিনিধির সাথে ডরমিটরিতে গিয়ে অফিশিয়াল পেপার্স বুঝে নিন। ফোনে সর্বদা কোম্পানির বসের নম্বর, এজেন্সির কন্টাক্ট, বাংলাদেশ এম্বাসির হেল্পলাইন নম্বর এবং আপনার পাসপোর্টের ছবি সেভ রাখবেন। ফ্রি পাবলিক ওয়াইফাই ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন।
Stay Updated

Our Latest News

প্রবাসের নিয়ম-কানুন, ভিসা ও ফ্লাইট সংক্রান্ত তথ্য প্রতিনিয়ত পরিবর্তন হয়। নিচের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোতে লাইক, ফলো ও সাবস্ক্রাইব করে রাখুন — নতুন আপডেট সবার আগে পেয়ে যাবেন।

আমাদের কমিউনিটি গ্রুপ

প্রবাস যাত্রার প্রতিটি ধাপে হাজারো ভাইয়ের বাস্তব অভিজ্ঞতা, প্রশ্নোত্তর ও সতর্কবার্তা পাবেন এই দুটি গ্রুপে। পিডিও প্রশিক্ষণার্থীদের জন্য এই গ্রুপ দুটিতে যুক্ত থাকা সবচেয়ে জরুরি — বিনামূল্যে যেকোনো সময় প্রশ্ন করতে পারবেন।

Follow Us

যেকোনো প্রয়োজনে সরাসরি কল করুন — 01929222954 অথবা হোয়াটসঅ্যাপ — 01622339261

Comment Your Problem

আপনার প্রবাস সংক্রান্ত যেকোনো প্রশ্ন বা সমস্যা নিচে কমেন্টে লিখুন — আমরা উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করব। আপনার একটি প্রশ্নের উত্তর আরও অনেক প্রবাসগামী ভাইয়ের কাজে লাগবে, তাই প্রশ্ন করতে সংকোচ করবেন না। অনুগ্রহ করে কমেন্টে পাসপোর্ট নম্বর, এনআইডি বা ব্যক্তিগত গোপন তথ্য লিখবেন না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top